[gtranslate]
Dhaka ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

চট্টগ্রাম বন্দরে বহির্নোঙরে জাহাজের সংঘর্ষ, তদন্তে কমিটি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ১৩ Time View

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুটি জাহাজের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উভয় জাহাজই। এতে আটকা পড়েছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ একক কনটেইনার, যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আমদানিকারক ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

শুক্রবার (০১ মে) সকালে বহির্নোঙর থেকে জাহাজ দুটি বন্দরের জেটিতে আনার প্রস্তুতিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি পণ্য নিয়ে বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল জাহাজ দুটি। এর মধ্যে একটি বিশ্বের শীর্ষ শিপিং কোম্পানি ‘মায়ারস্ক’-এর এবং অন্যটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ‘এইচ আর তুরাগ’।
দুর্ঘটনার পর জাহাজ দুটির মূল কাঠামোতে দৃশ্যমান ক্ষতি দেখা গেছে। তবে পানির নিচের অংশে কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজ দুটি জেটিতে নিয়ে আসতে গেলে প্রবেশমুখে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে আপাতত সেগুলো বহির্নোঙরেই রাখা হয়েছে।এ বিষয়ে বন্দরের পাইলট ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শামসুদ্দীন জানান, জাহাজের কাছে পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে জাহাজে উঠে ক্ষতির চিত্র দেখে নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় জেটিতে না এনে ফিরে আসেন তারা।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ দুটির চলাচল স্থগিত থাকবে বলে জানা গেছে।

About Author Information

চট্টগ্রাম বন্দরে বহির্নোঙরে জাহাজের সংঘর্ষ, তদন্তে কমিটি

Update Time : ০৮:০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুটি জাহাজের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উভয় জাহাজই। এতে আটকা পড়েছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ একক কনটেইনার, যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আমদানিকারক ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

শুক্রবার (০১ মে) সকালে বহির্নোঙর থেকে জাহাজ দুটি বন্দরের জেটিতে আনার প্রস্তুতিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি পণ্য নিয়ে বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল জাহাজ দুটি। এর মধ্যে একটি বিশ্বের শীর্ষ শিপিং কোম্পানি ‘মায়ারস্ক’-এর এবং অন্যটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ‘এইচ আর তুরাগ’।
দুর্ঘটনার পর জাহাজ দুটির মূল কাঠামোতে দৃশ্যমান ক্ষতি দেখা গেছে। তবে পানির নিচের অংশে কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজ দুটি জেটিতে নিয়ে আসতে গেলে প্রবেশমুখে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে আপাতত সেগুলো বহির্নোঙরেই রাখা হয়েছে।এ বিষয়ে বন্দরের পাইলট ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শামসুদ্দীন জানান, জাহাজের কাছে পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে জাহাজে উঠে ক্ষতির চিত্র দেখে নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় জেটিতে না এনে ফিরে আসেন তারা।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ দুটির চলাচল স্থগিত থাকবে বলে জানা গেছে।