[gtranslate]
Dhaka ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামাননের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনার মন্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুপক্ষের মধ্যে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগসহ বাংলাদেশি প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে শিগগিরই শ্রমবাজারটি উন্মুক্তো হওয়া সম্ভাবনা থাকলেও কলিং সংক্রান্ত এটাস্টেশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়া দূতাবাসের শ্রম শাখার কাউন্সেলরসহ একাধিক কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
উল্লেখ্য, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৩১ মে মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসায় যাওয়া বিদেশি কর্মীদের প্রবেশের শেষ সুযোগ ছিল। এরপর থেকে মালয়েশিয়ায় কার্যত বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। শেষ মুহূর্তে যেতে না পারা প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর ব্যাপারে দফায় দফায় বৈঠক হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। ড. ইউনূস ক্ষমতা নেওয়ার পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এলে সম্ভাবনা জোরালো হলেও মাত্র ৫০ জন শ্রমিক সে দেশে যেতে পেরেছিলেন।

বন্ধ থাকা শ্রমবাজারটি উন্মুক্ত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকি মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। সে সময় দেশটি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে এজেন্সি গুলোকে ১০টি শর্ত জুড়ে দেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় শ্রমবাজারটি পুনরায় চালু করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মন্ত্রণালয় ১০টি শর্ত শিথিলের অনুরোধ জানিয়েছেন মালয়েশিয়াকে। প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর গণমাধ্যমে এমনটাই জানিয়েছিলেন।

About Author Information

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

Update Time : ০৮:২৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মালয়েশিয়ার মানব সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামাননের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ হাইকমিশনার মন্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুপক্ষের মধ্যে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগসহ বাংলাদেশি প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে শিগগিরই শ্রমবাজারটি উন্মুক্তো হওয়া সম্ভাবনা থাকলেও কলিং সংক্রান্ত এটাস্টেশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়া দূতাবাসের শ্রম শাখার কাউন্সেলরসহ একাধিক কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
উল্লেখ্য, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৩১ মে মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসায় যাওয়া বিদেশি কর্মীদের প্রবেশের শেষ সুযোগ ছিল। এরপর থেকে মালয়েশিয়ায় কার্যত বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। শেষ মুহূর্তে যেতে না পারা প্রায় ৩০ হাজার কর্মীর ব্যাপারে দফায় দফায় বৈঠক হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। ড. ইউনূস ক্ষমতা নেওয়ার পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এলে সম্ভাবনা জোরালো হলেও মাত্র ৫০ জন শ্রমিক সে দেশে যেতে পেরেছিলেন।

বন্ধ থাকা শ্রমবাজারটি উন্মুক্ত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকি মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। সে সময় দেশটি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে এজেন্সি গুলোকে ১০টি শর্ত জুড়ে দেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় শ্রমবাজারটি পুনরায় চালু করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মন্ত্রণালয় ১০টি শর্ত শিথিলের অনুরোধ জানিয়েছেন মালয়েশিয়াকে। প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর গণমাধ্যমে এমনটাই জানিয়েছিলেন।